রেডিও স্বাধীন দেশ https://www.radioshadhindesh.com/2022/04/sisur%20mirgirog%20-%20sisurmrgiroge.html

শিশুর মৃগীরোগ - মৃগী রোগের লক্ষণ - মৃগী রোগের ঔষধের নাম

মৃগীরোগে(Epilepsy) আক্রান্ত হলে প্রচলিত কুসংস্কার আছে জিনের আসর লেগেছে। Actually এটি একটি ব্রেনের সমস্যা। এই রোগ ব্রেইন এর একটি অংশ বা পুরো ব্রেইন কে প্রভাবিত করতে পারে।মস্তিষ্কে সবসময়ই বৈদ্যুতিক কার্যক্রম চলে, হটাৎ তীব্র কার্যকালাপের বিস্ফোরণ ঘটলে ভারসাম্যহীনতা দেখা দিয়ে খিচুনি হয়। যে কোন বয়সে এই রোগ হতে পারে। খিচুনির সময় রোগী সজাগ থাকতে পারে বা অজ্ঞান হতে পারে।

শিশুর শরীর শক্ত হয়ে যেতে পারে, অস্বাভাবিক ঝাকুনি হতে পারে বা জিহবায় কামড় দিতে পারে। মা-বাবা, আত্নীয় স্বজন যারা বাচ্চার খিচুনি দেখেছেন তার তথ্যের উপর ভিত্তি করে প্রাথমিকভাবে এই রোগ নির্ণয় করা যায়। 

মৃগীরোগের ঔষধের নাম


সাধারনত পরিবারে কারো এই রোগের ইতিহাস থাকলে মায়ের গর্ভকালীন কোন জটিলতা যেমন বাচ্চার ওজন কম বা জন্মকালীন মাথায় আঘাত , জন্মের পরপরই শিশুর শ্বাস নিতে দেরী অথবা দেরিতে কান্নাকাটি করলে,জন্ডিস মাত্রাতিরিক্ত হলে,ব্রেনে ইনফেকশন হলে,ব্রেনে টিউমার স্ট্রোক হলে ও জিনগত কারনে এ রোগ হয়। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে কোন কারন জানা যায় না। 

বাচ্চা হটাৎ চুপচাপ হয়ে গেলে, হটাৎ মেজাজ বিগড়ে গেলে,চিৎকার, দৌড়াদৌড়ি করলে এবং কিছুক্ষন পর স্বাভাবিক হলে,চোখ বা মুখ উল্টিয়ে দিলে,শিশুর চোখের পাতা স্থির হয়ে গেলে বা এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকলে বা নাকমুখ দিয়ে অতিরিক্ত ফেনা বা লালা বেড় হলে বুঝতে হবে বাচ্চা মৃগী রোগ এ আক্রান্ত হতে পারে। 

পেজ সূচিপত্রঃ শিশুর মৃগীরোগ মৃগীরোগের লক্ষণ | মৃগীরোগের ঔষধের নাম

মৃগী রোগ কি | শিশুর মৃগীরোগ কেন হয় | মৃগীরোগের ঔষধের নাম

মৃগী (ইংরেজি: Epilepsy) নিউরোলজিক্যাল বা স্নায়ুবিক রোগ যাতে খিঁচুনি হয়। এই রোগের প্রকৃত কারণ জানা না গেলেও মস্তিষ্কে আঘাত,স্ট্রোক, মস্তিষ্কে টিউমার বা সংক্রমণ, জন্মগত ত্রুটি প্রভৃতিকে সম্ভাব্য কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। জিনগত মিউটেশন কিছুকিছু ক্ষেত্রে দায়ী বলে মনে করা হয়।

মৃগীরোগ যে কারণে হয় | মৃগীরোগের ঔষধের নাম

মৃগীরোগ হওয়ার সুনির্দিষ্ট কারণ নেই এবং শতকরা ৭০ ভাগের ক্ষেত্রে কোনো কারণ বের করা সম্ভব হয়নি। তবে নিম্নোক্ত কারণগুলো থেকে মৃগীরোগ হওয়ার আশঙ্কা থাকে:

  • মস্তিষ্কে প্রদাহ।
  • মস্তিষ্কের টিউমার।
  • অধিক মাত্রার জ্বর।
  • এ ছাড়া অন্যান্য রোগ।
  • সংক্রমণ যা মস্তিষ্কের ক্ষতি করে।
  • মেহজমের সমস্যা বা পুষ্টির অভাব।
  • আঘাত এবং মস্তিষ্কে পর্যাপ্ত অক্সিজেনের অভাব।
  • জন্মের আগে বা জন্মের সময় বা পরে মস্তিষ্কে আঘাত।
  • মস্তিষ্কে রক্ত চলাচলে প্রতিবন্ধকতা (স্ট্রোক বা অন্যান্য সমস্যা)।

মৃগী রোগের প্রাথমিক চিকিৎসা

রোগী দাঁড়ানো বা চেয়ারে বসা অবস্থায় খিঁচুনীতে আক্রান্ত হলে তাকে আলতো করে ধরে মেঝেতে শুইয়ে দিন অথবা এমন ব্যবস্থা রাখুন, যাতে রোগী পড়ে গিয়ে মাথায় আঘাত না পায়। রোগীর মাথার নিচে বালিশ বা নরম কোনও কাপড় জাতীয় কিছু দিন। খিঁচুনী স্বাভাবিকভাবে শেষ হতে দিন। এই সময় আক্রান্তকে চেপে ধরবেন না।

মৃগী রোগের প্রাথমিক লক্ষণ | মৃগীরোগের ঔষধের নাম

হঠাৎ শরীরের কোনো অংশে খিঁচুনি শুরু হওয়া ও পর্যায়ক্রমে তা সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়া। হঠাৎ নমনীয়ভাবে ঢলে পড়া। শরীর শক্ত হয়ে গিয়ে হঠাৎ পড়ে যাওয়া। ৪০ ধরনের মৃগীরোগ হতে পারে। মৃগী রোগীর মধ্যে নিম্নলিখিত যেকোনো একটি বা একাধিক লক্ষণ দেখা দিতে পারে:

  • হঠাৎ জ্ঞান হারানো।
  • হঠাৎ নমনীয়ভাবে ঢলে পড়া।
  • ঘন ঘন কাজে অমনোযোগী হয়ে পড়া।
  • হাত থেকে হঠাৎ করে কিছু ছিটকে পড়া।
  • শরীর শক্ত হয়ে গিয়ে হঠাৎ পড়ে যাওয়া।
  • ছোট বাচ্চাদের শরীর হঠাৎ ঝাঁকি খাওয়া।
  • হঠাৎ মাথা বা পিঠ কিংবা পুরো শরীর সামনে ঝুঁকে আসা।
  • হঠাৎ শরীরের কোনো অংশে ভিন্ন ধরনের অনুভূতি সৃষ্টি হওয়া।
  • হঠাৎ শরীরের কোনো অংশে খিঁচুনি শুরু হওয়া ও পর্যায়ক্রমে তা সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়া।
  • হঠাৎ অস্বাভাবিক আচরণ শুরু করা এবং হাত, পা ও মুখের অস্বাভাবিক নড়াচড়া শুরু হওয়া।

মৃগীরোগের ডায়াগনোসিস | মৃগীরোগের ঔষধের নাম

  • ইইজি।
  • রক্ত পরীক্ষা।
  • সিএসএফ পরীক্ষা।
  • মস্তিষ্কের এমআরএই এবং সিটি স্ক্যান।
  • রোগী এবং প্রত্যক্ষকারীর বিস্তারিত ইতিহাস।

মৃগীরোগের খিঁচুনির সময় যা করা যাবে না | শিশুর মৃগীরোগ কেন হয় 

  • আতঙ্কিত বা ভীত হওয়া যাবে না।
  • রোগী পুরোপুরি সচেতন না হওয়া পর্যন্ত পানি বা অন্য কোনো পানীয় দেওয়া যাবে না।
  • সাধারণত খিঁচুনি দুই মিনিটের বেশি স্থায়ী হয় না এবং এরপর রোগী গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে।
  • খিঁচুনির সময় কোনোরূপ বাধা সৃষ্টি বা রোগীকে আঁকড়ে ধরার চেষ্টা করা যাবে না; এতে রোগী ও সাহায্যকারী উভয়ই আহত হতে পারে।
  • রোগীর মুখে চামড়ার জুতো বা চামড়ার তৈরি অন্য কিছু, লোহার শিক ইত্যাদি চেপে ধরা উচিত হবে না। এতে রোগীর উপকারের চেয়ে ক্ষতি বেশি হয়ে থাকে।

মৃগীরোগের কখন চিকিৎসার প্রয়োজন | শিশুর মৃগীরোগ কেন হয়

নিম্নলিখিত লক্ষণগুলো দেখা দিলে রোগীকে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

  • রোগীর শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যা হলে।
  • খিঁচুনির স্থায়িত্ব পাঁচ মিনিটের বেশি হলে।
  • খিঁচুনির সময়ে রোগী কোনোভাবে আহত হলে।
  • রোগী একনাগাড়ে অনেকক্ষণ ধরে বিভ্রান্ত হয়ে থাকলে কিংবা অচেতন থাকলে।

রোগী প্রথমবারের মতো মৃগীতে আক্রান্ত হলে বিস্তারিত জানার জন্য নিকটস্থ হাসপাতালের নিউরোলজি বিভাগ বা কোনো নিউরোলজিস্টের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে।

মৃগী রোগের ঔষধের নাম | শিশুর মৃগীরোগ কেন হয়

একটি অ্যান্টিকোভালসেন্ট, ফ্রিটোলেভ ৫০০ এম জি ট্যাবলেট (Fritolev 500 MG Tablet) সাধারণত অন্যান্য ঔষধের সাথে মিলিত হয় এবং উভয় প্রাপ্তবয়স্কদের পাশাপাশি শিশুদের মৃগীরোগে ভুগছেন এমন বিভিন্ন ধরণের জীবাণুগুলির চিকিৎসা করার জন্য ব্যবহার করা হয়। ফ্রিটোলেভ ৫০০ এম জি ট্যাবলেট (Fritolev 500 MG Tablet) মৃগী রোগীদের আংশিক-সূত্র, টনিক-ক্লোননিক এবং মায়োকলোনিক জীবাণুমুক্ত আচরণের জন্য পরিচিত। এ ছাড়া, এটি ডাক্তারের দ্বারা নির্ধারিত অন্যান্য স্বাস্থ্যের অবস্থার চিকিৎসা করার জন্যও ব্যবহার করা যেতে পারে। 

শিশুদের এবং বয়স্ক ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে, সতর্কতার সাথে এটি নির্ধারণ করা দরকার। মাদক গ্রহণ করার সময় মস্তিষ্কের মধ্যে অস্বাভাবিক ক্রিয়াকলাপ হ্রাস পায় । এটা মৌখিকভাবে গ্রহণ করা যেতে পারে । ঔষধ ট্যাবলেট এবং তরল উভয় ফর্ম পাওয়া যায়।

ফ্রিটোলেভ ৫০০ এম জি ট্যাবলেট (Fritolev 500 MG Tablet) অ্যান্টিকোভালসেন্টস নামে পরিচিত ঔষধের গোষ্ঠীর অন্তর্গত, যা বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকারক যন্ত্রণা ভোগ করে এমন জীবাণুর ফ্রিকোয়েন্সি হ্রাস বা প্রতিরোধে সহায়তা করে। এই ঔষধ সাধারণত অন্যান্য ঔষধের সাথে মিলিত হয় এবং ক্ষতিকারক রোগীদের মধ্যে মায়োকোলোনিক (পেশী জেরকিং / টিচিং), আংশিক-সূত্রপাত (মস্তিষ্কের এক অংশে জীবাণু আটকানো) বা সাধারণ টনিক-ক্লোনিক জীবাণু (আপনার সমগ্র মস্তিষ্কে প্রভাবিত) 

এটি আপনার মস্তিষ্কের স্নায়ুর অস্বাভাবিক আবেগগুলিকে ধীর করে দেয়, এভাবে এগুলি হ্রাস পায়। এটি প্রাপ্তবয়স্কদের এবং মৃগীরোগ ভোগ শিশুদের দ্বারা নেওয়া যেতে পারে। ফ্রিটোলেভ ৫০০ এম জি ট্যাবলেট (Fritolev 500 MG Tablet) ট্যাবলেট এবং তরল উভয় উপলব্ধ ।

এমন কিছু মেডিক্যাল শর্ত রয়েছে যা ফ্রিটোলেভ ৫০০ এম জি ট্যাবলেট (Fritolev 500 MG Tablet) এর সাথে মিথস্ক্রিয়া করতে পারে। অতএব, আপনার ডাক্তারের কাছে পরামর্শ নিন যদি আপনি গর্ভবতী হন বা পরিকল্পনা করছেন তা গুরুত্বপূর্ণ । একটি কিডনি রোগ আছে অথবা চলছে ডায়ালিসিস , নিয়মিত ভিত্তিতে যে কোনও ঔষধ, এলার্জি এবং মানসিক অবস্থার ইতিহাস বিষণ্নতা বা আত্মঘাতী প্রবণতা।

ফ্রিটোলেভ ৫০০ এম জি ট্যাবলেট (Fritolev 500 MG Tablet) এর ডোজ সাধারণত চিকিত্সার দিকে চিকিৎসা শর্ত এবং আপনার শরীরের প্রতিক্রিয়া উপর ভিত্তি করে। শিশুদের মধ্যে, শরীরের ওজন এছাড়াও বিবেচনা করা হয়। প্রাথমিকভাবে আপনার ডাক্তারের দ্বারা আপনাকে কম পরিমাণে ডোজ নির্ধারণ করা যেতে পারে যা সময়ের সাথে সাথে আপনার শরীরের প্রতিক্রিয়া অনুসারে ক্রমশ বাড়তে পারে। আপনি সেরা ফলাফলের জন্য নিয়মিত ভিত্তিতে এই ঔষধ নিতে হবে। 

যাইহোক, আপনি অতিরিক্ত পরিমাণে না বা নির্ধারিত হয়েছে তার চেয়ে দীর্ঘ থাকার অবিরত তা নিশ্চিত করুন। এছাড়াও, ফ্রিটোলেভ ৫০০ এম জি ট্যাবলেট (Fritolev 500 MG Tablet) হঠাৎ করে নেওয়া বন্ধ করবেন না, কারণ এটি আপনার জরুরী অবস্থার ক্ষতি করতে পারে। ডোজ ধীরে ধীরে হ্রাস করা উচিত এবং তারপর প্রয়োজন হলে থামানো উচিত।

ফ্রিটোলেভ ৫০০ এম জি ট্যাবলেট (Fritolev 500 MG Tablet) চিকিত্সার প্রাথমিক সপ্তাহগুলিতে আপনাকে তন্দ্রাচ্ছন্ন করার একটি প্রবণতা রয়েছে, তাই আপনাকে ড্রাইভিং বা সতর্কতা প্রয়োজন এমন যে কোনও ক্রিয়াকলাপ থেকে নিজেকে বিরত রাখতে হবে। এছাড়াও, আপনি এই ঔষধ অধীনে যখন আপনার অ্যালকোহল খরচ সীমাবদ্ধ করা আবশ্যক।

ফ্রিটোলেভ ৫০০ এম জি ট্যাবলেট (Fritolev 500 MG Tablet) এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াগুলিতে অস্বাভাবিকভাবে ক্লান্ত, ভীতিকর, দুর্বল বা তন্দ্রাচ্ছন্ন অনুভূতি অন্তর্ভুক্ত। এই লক্ষণগুলি সাধারণত ঔষধ গ্রহণের প্রথম মাসে ঘটে, এবং তারপরে ধীরে ধীরে এটি শরীরের সাথে সামঞ্জস্য করে হ্রাস পায়। যদি আপনি আরো গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ভোগ করেন তবে আপনাকে চিকিৎসা সহায়তা চাইতে হতে পারে

মৃগীরোগের জীবনধারার ব্যবস্থাপনা 

খিঁচুনির নিয়ন্ত্রণ জরুরি কারণ এটি বিপজ্জনক এবং জটিল সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে।

নিয়মিত ওষুধ সেবন করা। ডাক্তারের অনুমতি ছাড়া ওষুধ বন্ধ কর যাবে না।

খিঁচুনি বা মৃগীরোগ শুরুর কারণ খুঁজে বের করুন। খুব সাধারণ কারণগুলো হলো নিয়মিত ওষুধ না খাওয়া, মানসিক চাপ, খাওয়াদাওয়ায় অনিয়ম, মদ্যপান, অনিদ্রা, উজ্জ্বল আলো, জোরে আওয়াজ ইত্যাদি খিঁচুনি সৃষ্টি করে।

খিঁচুনি কবে ও কখন শুরু হলো, এর তীব্রতা কত, কতক্ষণ ধরে হয়েছে এবং তার সঙ্গে খিঁচুনি শুরুর আগে আপনি কী করছিলেন, তা বিস্তারিত লিখে রাখুন।

  • নিয়মিত ওষুধ সেবন করা।
  • খাওয়াদাওয়া সময়মতো করা।
  • ঘুমানোর জন্য তাড়াতাড়ি শুয়ে পড়ার চেষ্টা করা।
  • শ্বাসের হালকা ব্যায়াম করা।
  • মদ্যপান না করা।
  • নেশাজাতীয় ওষুধ সেবন না করা।

খিঁচুনিতে আক্রান্ত রোগের | শিশুর মৃগীরোগ কেন হয়

  • বাড়ির আসবাবপত্রগুলোর কোণ মসৃণ হতে হবে।
  • স্নান করার সময় স্নানঘরের দরজা বন্ধ করা যাবে না।
  • ঘরের বাইরে কোনো খেলাধুলার সময় মাথায় হেলমেট ব্যবহার করতে হবে।
  • সাঁতার কাটার সময় এমন সঙ্গী সঙ্গে রাখুন, যিনি আপনার খিঁচুনি শুরু হলে আপনাকে উদ্ধার করতে পারবেন।
  • বাথটাবে স্নান করার বদলে শাওয়ার ব্যবহার করতে হবে। এতে খিঁচুনি শুরু হলে বাথটাবে ডুবে যাওয়ার আশঙ্কা থাকবে না।
  • খিঁচুনি খুব ঘন ঘন হলে গাড়ি চালানো, সাঁতার কাটা এবং রান্না করা যাবে না। কারণ, এগুলো করার সময় খিঁচুনি হলে তা খুবই ক্ষতিকারক হবে।

খিঁচুনিতে আক্রান্ত রোগের প্রাথমিক চিকিৎসা  |  শিশুর মৃগীরোগ

  • আক্রান্ত রোগীকে মেঝেতে শুইয়ে দিতে হবে এবং গায়ের কাপড় খুলে দিতে হবে।
  • আশপাশের ধারালো জিনিসপত্র সরিয়ে ফেলতে হবে।
  • রোগীকে একপাশে করে শোয়াতে হবে যাতে করে লালা বা থুতু মুখ থেকে বেরিয়ে আসতে পারে।
  • মাথার নিচে নরম কাপড় ভাঁজ করে দিতে হবে।
  • রোগীর মুখে কোনো কিছু দেওয়া যাবে না।
  • খিঁচুনির পরে রোগীকে কিছুক্ষণ বিশ্রাম বা ঘুমাতে দিতে হবে।

মৃগীরোগে আক্রান্ত বেশির ভাগ মানুষ সঠিক চিকিৎসা এবং স্বাস্থ্যসেবা নিলে সুস্থ এবং স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারবেন। 

অন্যদের সাথে শেয়ার করুন

0 Comments

দয়া করে নীতিমালা মেনে মন্তব্য করুন ??

রেডিও স্বাধীন দেশ কী রেডিও স্বাধীন দেশ কেন জানতে আমদের সাইটি ভিজিট করুন