রেডিও স্বাধীন দেশ https://www.radioshadhindesh.com/2022/03/nabajataker%20gas.html

নবজাতকের গ্যাস - Newborn gas - নবজাতকের গ্যাস হলে করনীয়

নবজাতকের গ্যাস - Newborn gas - নবজাতকের গ্যাস হলে করনীয়


সূচিপত্রঃ

নবজাতকের গ্যাসঃ

নবজাতকের গ্যাস - মায়ের দুধ, ফিডারের দুধ, অতিরিক্ত কান্না করার সময় পেটে প্রচুর বাতাস ঢোকেও গ্যাসের সমস্যা হয়ে থাকে। শিশুর মা যেসব খাবার খায়, তাতে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হতে পারে। এ ছাড়া অতিরিক্ত দুধ পান করলে, হরমোনজনিত সমস্যা, কোষ্ঠকাঠিন্য, কার্বোহাইড্রেট খাওয়া এসব কারণেও শিশুর পেটে গ্যাস হয়।

বাচ্চাদের গ্যাসের সিরাপঃ

বাচ্চাদের গ্যাসের সিরাপ - সিমথিকোন শিশুদের গ্যাস সমস্যাগুলি সমাধান করার জন্য একটি গ্যাসের ঔষধ। এটি পেটের ছোট গ্যাস বুদবুদগুলিকে একত্রিত করে বড় বুদবুদ তৈরিতে সাহায্য করে যাতে সেটি শিশুর পেট থেকে সহজেই বেরিয়ে আসে। এই ঔষধ কৃত্তিম স্বাদ এবং রং-এর সঙ্গেও পাওয়া যায় কিন্তু তা ব্যবহারের আগে একজন শিশু বিশেষজ্ঞের সঙ্গে পরামর্শ করা উচিত।

নবজাতকের পেটে গ্যাস হলে করনীয়ঃ

নবজাতকের পেটে গ্যাস হলে করনীয় - এমন সময় শিশুকে হালকা গরম পানি খাওয়াতে হবে।  হালকা গরম পানিতে শিশুকে গোসলও করাতে পারেন। এতে শরীর ঠান্ডা হবে আর গ্যাসও বের হয়ে যাবে। >> বুকের দুধের বদলে অনেকেই শিশুকে বাইরের দুধ খাওয়ান।

নবজাতকের পেটে গ্যাস কেন হয়ঃ

নবজাতকের পেটে গ্যাস কেন হয় - খুব আস্তে খাওয়াঃ একইভাবে মায়ের বুকে দুধ কম আসলে বা বোতলের ছিদ্র বেশী ছোট হলে বাচ্চার দুধ খাওয়ার সময় অতিরিক্ত বাতাস বাচ্চার পেটে চলে যায় এবং গ্যাস তৈরি করে। বোতলের দুধে ফেনা থাকলেঃ বাচ্চাকে ফর্মুলা খাওয়ানো হলে ফর্মুলা তৈরি করার সময় বোতল যত বেশী ঝাঁকানো হয় তত বেশী তাতে ফেনা হয়। এতে বাচ্চার পেটে গ্যাস হতে পারে।

নবজাতকের পেটে গ্যাস হলে তাড়াতাড়ি করনীয়ঃ

বাচ্চারা মায়ের দুধ বা NAN  বা PRIMA দুধ খায়। তার প্রোটিন বা ফ্যাটের হজম থেকে গ্যাস তেরী হয়।আবার বাচ্চারা যখন মায়ের দুধ বা NAN বা PRIMA দুধ খায় তখনও প্রচুর পরিমানে বাতাস খেয়ে ফেলে। এটি শিশুর ক্ষেত্রে বেশ অস্বস্তিকর।এই অস্বস্তিতে শিশু অতিরিক্ত কান্নাকাটি করে ও ঘুমে ব্যাঘাত হয়।এটাকে বলা হয় Infantile Colic.কোন কোন শিশু গ্যাস বের করতে পারে আবার কোন কোন শিশু পারে না, তাদের এই সমস্যা বা Infantile Colic হয়।

প্রথম ৩-৫ মাস এই কান্নাকাটি মা-বাবা ও পরিবারের সদস্যদের ব্যাস্ত রাখে।

কিভাবে বুঝবেন শিশু র পেটে গ্যাস হয়েছে -বার ঢেকুর দিলে,অস্থিরতা দেখা দিলে,বারবার বায়ু ত্যাগ করলে,শিশু ২পা উপরে তুল্লে,বাচ্চা ঘুমাতে না চাইলে বুঝতে হবে পেটে গ্যাস হয়েছে। 

মা যখন বাচ্চাকে দুধ খাওয়াবে তখন পুরো ১৫-২০ মিনিট একপাশে খাওয়াবেন এবং অন্য পাশেও ১৫-২০ মিনিট খাওয়াবেন।দুধের প্রথম ভাগে বাচ্চারা পানির সাথে ল্যাকটোজ খায় পরের অংশে ফ্যাট। তাই শুধু প্রথম অংশ খাওয়ালে ল্যাকটোজ খায় এই ল্যাকটোজ ভেঙে গ্যাস হয়।তাই পুরোটা সঠিক নিয়মে খাওয়াতে হবে।

বুকের দুধ খাওয়ানো শিশু র  মাথা বুক পেট,ঘাড় এমন ভাবে রাখুন যে পেট থেকে উপরে থাকে,এতে দুধ নীচে নেমে যায় ও গ্যাস উপরে উঠে। এতে ঢেকুর তোলায় সুবিধা হয়। 

বাচ্চারা যখন অস্বস্তিতে থাকে,ক্ষিদা লাগে, পেটে গ্যাস হয়,পেটে ব্যাথা হয় তখন কান্নাকাটি করে। বাচ্চাদের চাহিদা জানাতে একটি মাত্র পথ কান্নাকাটি। 

বাচ্চাদের খাওয়ানোর পরপরই ১০-১৫ মিনিট প্রতি বার। শিশু কে কাঁধে রাখুন এক হাত দিয়ে শিশু কে ধরুন অন্য হাত দিয়ে পিঠে আস্তে আস্তে চাপড় দিন ও পেটে আস্তে আস্তে চাপড় দিন। এতে শিশুকে গ্যাস তুলতে সাহায্যে করে এবং গ্যাস বুদবুদ আকারে উপরে উঠে আসে। 

বাচ্চাদের গ্যাস থেকে আরাম পেতে প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

উপরে সকল বিষয় আপনাদের উপকার কারার জন্য দেওয়া আছে যদি কিছু ভুল হয় তাহলে আমাকে কমেন্ট করে যানাতে পারেন কারণ মানুষ মাত্র ভুল হয়। আর যদি আমর ওয়েব সাইট টি ভালো লেগে থাকে তবে চাইলে পাশে থাকতে পারেন।

ডাক্তার প্ররিচিতিঃ
ডা. মো. আতিকুর রহমান আরিফ 
এমবিবিএস 
সহকারী রেজিস্ট্রার (শিশু বিভাগ)
বারিন্দ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, রাজশাহী ।
           ও 
জেনারেল ফিজিশিয়ান 
ডাক্তার খানা কৃষ্ণপুর শাখা ।
আরও পড়ুনঃ ]



অন্যদের সাথে শেয়ার করুন

0 Comments

দয়া করে নীতিমালা মেনে মন্তব্য করুন ??

রেডিও স্বাধীন দেশ কী রেডিও স্বাধীন দেশ কেন জানতে আমদের সাইটি ভিজিট করুন