রেডিও স্বাধীন দেশ https://www.radioshadhindesh.com/2022/03/What%20is%20iron%20-%20what%20is%20the%20need%20of%20baby%20iron%20-%20baby%20iron%20food.html

শিশুর আয়রন এর প্রয়োজনীয়তা কি - শিশুর আয়রন জাতীয় খাবার

সূচিপত্রঃ

আয়রন কি - শিশুর আয়রন এর প্রয়োজনীয়তা কি - শিশুর আয়রন জাতীয় খাবার



শিশুর আয়রন সমৃদ্ধ খাবারআয়রন কি - নিয়ে মা-বাবার চিন্তার কমতি নেই। শিশু খেতে চায় না এ প্রশ্ন সব মা-বাবার। মনে রাখতে হবে শিশুর আয়রন সমৃদ্ধ খাবার বেশী বাড়া বা কমা কোনটাই কাম্য নয়। শিশুর  বয়সের সাথে সঠিক ভাবে শিশুর আয়রন সমৃদ্ধ খাবার বৃদ্ধি হচ্ছে কিনা সেটা গুরুত্বপূর্ণ। বাচ্চাদের স্বাস্থ্যকর খাবার অভ্যাস বজায় রাখা অনেক জরুরী। আমরা আজ জানব শিশুর আয়রন সমৃদ্ধ খাবার কি 

শিশুর আয়রন খাবারঃ

শিশুর আয়রন খাবার - শিশুর আয়রন এর প্রয়োজনীয়তা কি? - শিশুর আয়রন জাতীয় খাবারআয়রন কি - চটকানো আলু আর একটি প্রিয় খাবার হতে পারে। সীফুড বা সমুদ্রের খাবার : সামুদ্রিক খাবার আপনার সন্তানের জন্য আয়রন সহ প্রয়োজনীয় বিভিন্ন পুষ্টি উপাদানের উৎস। টুনা, বাটা এবং চিংড়ি আয়রনের সেরা উৎস। এগুলো আপনি বিভিন্ন উপায়ে রান্না করতে পারেন এবং নিয়মিত আপনার শিশুকে খাওয়াতে পারেন।

শিশুর আয়রনের অভাবঃ

শিশুর আয়রনের অভাব - শিশুর আয়রন এর প্রয়োজনীয়তা কি? - আয়রন কি - আয়রনের ঘাটতিজনিত রক্তশূন্যতায় ভোগা শিশু নানা স্নায়বিক ও আচরণগত জটিলতায় ভোগে। যেমন ক্ষুধামান্দ্য, মেধার বিকাশ, বুদ্ধিমত্তা ও মনঃসংযোগ বাধাগ্রস্ত হওয়া। আয়রনের ঘাটতি থাকলে হঠাৎ দমবন্ধ করা অনুভূতি হতে পারে, খিঁচুনির ঝুঁকি বাড়ে। শিশুরা খিটখিটে মেজাজের হয়, ঘুম কম হয়।

শিশুর আয়রন সমৃদ্ধ খাবারঃ

আয়রন কি - শিশুর আয়রন সমৃদ্ধ খাবার - শিশুর আয়রন জাতীয় খাবার - শিশুর আয়রন এর প্রয়োজনীয়তা কি?

মুরগির মাংস: আয়রনের অন্য একটি ভালো উৎস হলো মুরগির মাংস। হোয়াইট মিটের চেয়ে ডার্ক মিটে আয়রন একটু বেশি  থাকে। মুরগির এক বাটি ডার্ক মিটে (পা বা উরুর মাংস) দৈনিক প্রয়োজনীয় আয়রনের ৮ শতাংশ পাওয়া যায়।

পালংশাক: বাজারে বা রাস্তায় পালংশাক চোখে পড়লেই কিনে ফেলুন, কারণ এটি হলো নন-হিমি আয়রনের একটি সর্বোৎকৃষ্ট উৎস।

শিশুর আয়রন এর প্রয়োজনীয়তাঃ

  • এক কাপ ডালে ৬ মিলিগ্রাম আয়রন পাওয়া যায়।
  • রক্তে হিমোগ্লোবিন কম থাকলে শরীরে পর্যাপ্ত লোহিত কনিকা তৈরি হয় না।
  • খাবারের সাথে ভিটামিন-সি যুক্ত খাবার দিলে আয়রন এর শোষণ ক্ষমতা বাড়ে।
  • বিষাক্ত কার্বনডাইঅক্সাইড শরীর থেকে বের করে দেয় আয়রন।আয়রন রক্তস্বল্পতা কমায়।
  • এক কাপ রান্না করা পালংশাক এ ৬ মিলিগ্রাম আয়রন থাকে। আলুতে যথেষ্ট আয়রন থাকে।
  • নিদিষ্ট সময়ে আগে কম ওজন নিয়ে জন্মেনো শিশু দের অতিরিক্ত আয়রন দিতে হয় দের মাস বয়স থেকে।
  • আয়রন রক্তের হিমোগ্লোবিন তৈরী তে মুখ্য ভুমিকাটি পালন করে। হিমোগ্লোবিন এর সাহায্য অক্সিজেন পৌছায় দেয় প্রতিটি কোষে।
  • শিশুর প্রথম ৫বছর খুব গুরুত্বপূর্ণ। কর্ম উদীপ্ত মস্তিষ্ক এসময়ে তৈরি হয়।কোন কারণে আয়রন এর ঘাটতি হলে তা ঠিক মত বিকশিত হয় না।
  • তাছাড়া ক্ষুদা মন্দা,মনঃসংযোগ ব্যাঘাত ঘটায়,ক্লান্তি, মাথা ব্যথা,হার্টের বিট বেড়ে যাওয়া,অবসন্নতা ভঙ্গুর চুল, ঘুমের অসুবিধা ইত্যাদি হয়ে থাকে।
  • মেধা বুদ্ধি আচার-আচরণ বিকাশে অপরিহার্য ভুমিকা পালন করে মস্তিষ্ক। শিশুর সঠিক বুদ্ধি ও বিকাশ এর জন্য আয়রন একটি প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান।
  • বাচ্চাদের খাওয়ার সুবিধার জন্য মাংসে দিতে পারেন মটরশুঁটি, শাকসবজীতে দিতে পারেন মটরশুঁটি। মাংস বা মটরশুঁটি তে লেবুর রস দিলে আয়রন এর শোষণ ক্ষমতা বাড়ে।
  • আয়রন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, শরীরে রক্তচলাচল প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে, হিমোগ্লোবিন তৈরি তে সাহায্য করে। শিশুর সুস্থতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে আয়রন।
  • ৬মাস পর্যন্ত মায়ের দুধ যথেষ্ট আয়রন এর ঘাটতির পুরনের জন্য। ৬ মাস পর মায়ের দুধ এর পাশাপাশি বাড়তি খাবার গুলো গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে আয়রনের ঘাটতি পুরোন এ।
  • দীর্ঘমেয়াদি রক্তশুন্যতায় ভুগলে কিডনির ডিজিজ,হাইপোথাইরয়েডিজম ও পিটুইটারি গ্রন্থের সমস্যা হয়। সিসা পয়জনিং এর শিকার হয় শিশুরা।সিসা রক্তের হিম অংশ তৈরিতে সমস্যা তৈরি করে।
  • রক্তশুন্যতা মুলত আয়রন এর ঘাটতির কারণে হয়। আয়রনের ঘাটতির কারণে শিশু র মানষিক বিকাশ ঠিকমত হয় না। আয়রন ঘাটতির কারণে মেধা বুদ্ধি আচার-আচরণ ও কর্মক্ষমতা ইত্যাদি ঠিক মত বিকশিত হওয়ার বাধা সৃষ্টি করে।
  • আয়রনের ঘাটতি পুরোন ৬মাস পর থেকে মায়ের দুধ এর পাশাপাশি মাংস লিভার, কিডনি, ডিমের কুসুম, শাকসবজি, বাদাম,কলা,মটরশুঁটি লালশাক পালংশাক ও ব্রকলি খাওয়াতে হবে।শুকনো ফল যেমন খেজুর কিসমিস থেকেও পাওয়া যায় প্রচুর আয়রন। টমেটো শিমের বীচি তে প্রচুর পরিমানে আয়রন থাকে।

উপরে সকল বিষয় আপনাদের উপকার কারার জন্য দেওয়া আছে যদি কিছু ভুল হয় তাহলে আমাকে কমেন্ট করে যানাতে পারেন কারণ মানুষ মাত্র ভুল হয়। আর যদি আমর ওয়েব সাইট টি ভালো লেগে থাকে তবে চাইলে পাশে থাকতে পারেন।

ডাক্তার প্ররিচিতিঃ
ডা. মো. আতিকুর রহমান আরিফ 
এমবিবিএস 
সহকারী রেজিস্ট্রার (শিশু বিভাগ)
বারিন্দ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, রাজশাহী ।
           ও 
জেনারেল ফিজিশিয়ান 
ডাক্তার খানা কৃষ্ণপুর শাখা ।
আরও পড়ুনঃ ]

অন্যদের সাথে শেয়ার করুন

0 Comments

দয়া করে নীতিমালা মেনে মন্তব্য করুন ??

রেডিও স্বাধীন দেশ কী রেডিও স্বাধীন দেশ কেন জানতে আমদের সাইটি ভিজিট করুন