রেডিও স্বাধীন দেশ https://www.radioshadhindesh.com/2022/02/Yogurt%20-%20How%20to%20make%20sour%20yogurt%20at%20home%20-%20The%20benefits%20of%20eating%20sour%20yogurt.html

দই - বাড়িতে টক দই বানানোর পদ্ধতি - টক দই খাওয়ার উপকারিতা

সূচিপত্রঃ

দই
দই  পটল রেসিপি
দই এর অপকারিতা
মিষ্টি দইয়ের উপকারিতা
টক দই খাওয়ার উপকারিতা
বাড়িতে টক দই বানানোর পদ্ধতি
খালি পেটে টক দই খাওয়ার উপকারিতা
শিশুদের জন্য দই খাবার আরও কিছু উপকারিতা 

দই - বাড়িতে টক দই বানানোর পদ্ধতি - টক দই খাওয়ার উপকারিতা


দই

দধি বা দই হল এক ধরনের দুগ্ধজাত খাদ্য যা দুধের ব্যাক্টেরিয়া গাঁজন হতে প্রস্তুত করা হয়। ল্যাক্টোজের গাঁজনের মাধ্যমে ল্যাক্টিক এসিড তৈরি করা হয়, যা দুধের প্রোটিনের ওপর কাজ করে দইয়ের স্বাদ ও এর বৈশিষ্ট্যপূর্ণ গন্ধ প্রদান করে। মানুষ ৪৫০০ বছর ধরে দই প্রস্তুত করছে এবং তা খেয়ে আসছে। সারা পৃথিবীতেই এটি পরিচিত।

দই পটল রেসিপি

দই পটল রেসিপিপটল - ২৫০গ্রাম বড়ো সাইজ এর, দই ১/২ কাপ, পেঁয়াজ এর পেস্ট ১/২ কাপ, আদা রসুন এর পেস্ট ১চামচ, গোটা গরম মশলা, সামান্য হলুদ গুঁড়ো, লঙ্কা গুঁড়ো ১ চামচ, লবণ, সামান্য চিনি, আর তেল।

দই এর অপকারিতা

দই এর অপকারিতা-শিশু বাড়তি খাবার শুরুতে দই সেটা টক দই হউক বা মিষ্টি দিয়ে শুরু করা যেতে পারে। ১বছর আগে শিশু রা গরুর দুধ এর প্রোটিন সহজে হজম করতে পারে না তাই সে সময় গরুর দুধ দেয়া নিষেধ। কিন্ত দই তৈরির প্রক্রিয়ায় প্রোটিন এর Structure ভেঙ্গে যায় বাচ্চারা সহজে হজম করতে পারে।আমেরিকান একাডেমি অফ পিডিয়াট্রিক্স তাই ৬মাস পর থেকে শিশুদের দই খেতে সুপারিশ করে। 

মিষ্টি দইয়ের উপকারিতা

মিষ্টি দইয়ের উপকারিতা - দইয়ে থাকা ক্যালসিয়াম, আয়রন, পটাশিয়াম, ভিটামিন বি ৬ পাকস্থলী সহজে গ্রহণ করে। তাই ভালো হজমের জন্য মিষ্টি দই খাওয়ার পরামর্শ দেন পুষ্টিবিদরা। এতে প্রচুর উপকারী ব্যাকটেরিয়া থাকে বলে বদহজম, কোষ্ঠকাঠিন্য ও অ্যাসিডিটি দূর করে। এতে প্রচুর অ্যান্টি-অক্সিডেন্টও থাকে।

টক দই খাওয়ার উপকারিতা

টক দই খাওয়ার উপকারিতা - টক দইয়ে থাকা ল্যাকটিক এসিড কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে। এই দই নিজেও সহজে হজম হয়, পাশাপাশি এই খাবার মানুষের হজমশক্তিও বাড়াতে সাহায্য করে। কোলন ক্যান্সারের রোগীরা টক দই খেতে পারেন৷ এতে উপকার পাবেন। যাদের দুধ খেতে সমস্যা হয় বা দুধ হজমে সমস্যা হয় তারা চাইলে এই দই খেতে পারেন।

বাড়িতে টক দই বানানোর পদ্ধতি

বাড়িতে টক দই বানানোর পদ্ধতি - লালচে সোনালি রং থাকতে থাকতে এবার তাতে দুধ ঢেলে নিন। ফের জ্বাল দিয়ে আরও কিছুটা ঘন করে নিন। তারপর গ্যাস অফ করে দিয়ে দুধ খানিকটা ঠান্ডা হয়ে এলে টক দই মেশান। তারপর রান্নাঘরের গরম অংশে মাটি বা পাথরের বাটিতে ঢেলে নিয়ে জমতে দিন মিষ্টি দই।

খালি পেটে টক দই খাওয়ার উপকারিতা

খালি পেটে টক দই খাওয়ার উপকারিতা - ৩/৬দই খাবার হজম করতে সাহায্য করে। তাই খালি পেটে এটি কোনওভাবেই খাওয়া উচিত নয়। বরং দুপুরে খাওয়ার পর এক বাটি টক দই খেলে হজম ভালো হয়, পেট পরিষ্কার থাকে।

শিশুদের জন্য দই খাবার আরও কিছু উপকারিতা 

  • Yogurt /Curd শিশুর জন্য অনেক উপকারী।
  • দই এ আছে ভিটামিন-এ ভিটামিন-সি ডি ই কে ও বি৬
  • দই এ Tyrosine থাকে যা মানষিক প্রশান্তি দেয় ও ক্লান্তি দুর করে। 
  • ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন-ডি থাকায় হাড় ও দাঁত গঠনে সাহায্য করে।
  • যারা দুধ খেতে পারে না সে সব শিশুকে দই খাওয়াতে পারেন কারন দই এর প্রোটিন সহজে হজম হয়।
  • ভাল ব্যাকটেরিয়া থাকায় রোগ প্রতিরোধ করে ও খারাপ ব্যাকটেরিয়া ধংস করে। এগুলো কে প্রোবায়োটিকস বলে।
  • দই এ কোন চিনি লবন মধু বা আর্টিফিশিয়াল color বা ফ্লেভার ব্যাবহার করবেন না অথবা এগুলো থাকলে খাওয়াবেন না।
  • দই শিশুর বৃদ্ধি ও বিকাশ দারুণ সহায়তা করে তাই এটা শিশুর Super foodও বলা হয়।এটি একটি Healthy ও পুষ্টিকর খাবার। 
  • যেসব শিশুর Lactase intolerance থাকে তাদের জন্য দই ভালো কারন তৈরীর প্রক্রিয়ায় Lactose এর গঠন ভেঙে যায় বাচ্চারা সহজে হজম করতে পারে।
  • ল্যাকটিক অ্যাসিড থাকায় শিশুর পেটের জ্বালা ও গ্যাসের সমস্যা দুর করে। ল্যাকটিক অ্যাসিড থাকায় শিশুর কোষ্ঠকাঠিন্য হয় না এবং ডায়ারিয়া প্রতিরোধ করে। 
  • আরো আছে জিংক ক্যালসিয়াম পটাসিয়াম ম্যাগনেসিয়াম ও সোডিয়াম। এগুলো শিশুর মানষিক ও শারীরিক বিকাশে অপরিহার্য। তাই ৬মাস পর থেকে দেয়া যায়।
  • বড়দেরও অনেক উপকারী এই টক দই,ডায়াবেটিস ও উচ্চরক্তচাপ কন্ট্রোল করতে সাহায্য করে এবং রক্তের খারাপ কোলেস্টেরল LDL কমায় ফলে হার্ট কে সুস্থ রাখে।

উপরে সকল বিষয় আপনাদের উপকার কারার জন্য দেওয়া আছে যদি কিছু ভুল হয় তাহলে আমাকে কমেন্ট করে যানাতে পারেন কারণ মানুষ মাত্র ভুল হয়। আর যদি আমর ওয়েব সাইট টি ভালো লেগে থাকে তবে চাইলে পাশে থাকতে পারেন।

ডাক্তার প্ররিচিতিঃ
ডা. মো. আতিকুর রহমান আরিফ 
এমবিবিএস 
সহকারী রেজিস্ট্রার (শিশু বিভাগ)
বারিন্দ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, রাজশাহী ।
           ও 
জেনারেল ফিজিশিয়ান 
ডাক্তার খানা কৃষ্ণপুর শাখা ।
আরও পড়ুনঃ ]

অন্যদের সাথে শেয়ার করুন

0 Comments

দয়া করে নীতিমালা মেনে মন্তব্য করুন ??

রেডিও স্বাধীন দেশ কী রেডিও স্বাধীন দেশ কেন জানতে আমদের সাইটি ভিজিট করুন