রেডিও স্বাধীন দেশ https://www.radioshadhindesh.com/2022/02/Her%20saline%20-%20the%20rules%20of%20eating%20orsaline%20-%20how%20to%20make%20orsaline.html

ওর স্যালাইন - ওরস্যালাইন খাওয়ার নিয়ম - ওরস্যালাইন বানানোর পদ্ধতি

সূচিপত্রঃ  

শিশুর ওর স্যালাইন
স্যালাইনের উপকারিতা
ওর স্যালাইন আবিষ্কারক
ওরস্যালাইন খাওয়ার নিয়ম
ওরস্যালাইন বানানোর পদ্ধতি 
ওরস্যালাইন বেশি খেলে কি হয়
বাজারে পাওয়া যায় এমন কিছু স্যালাইনের নাম
বাচ্চাদের খাবার ওরসেলাইন তেরীর সঠিক নিয়ম

ওর স্যালাইন - ওরস্যালাইন খাওয়ার নিয়ম - ওরস্যালাইন বানানোর পদ্ধতি



ওর স্যালাইন

এ ক্ষেত্রে স্যালাইন মূলত লবণের ঘাটতি পূরণ করার কাজে ভূমিকা রাখে। শরীরের স্বাভাবিক কাজকর্ম বজায় রাখতে লবণের ভারসাম্য রক্ষা করাটা খুবই জরুরি। আর ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হলে আমরা প্রচুর লবণ হারাই। তাই উচ্চ রক্তচাপের রোগীরও ডায়রিয়া হলে স্যালাইন খেতে হবে, এতে লবণের আধিক্য হবে না বা রক্তচাপও বাড়বে না।

স্যালাইন কত প্রকার

স্যালাইন দুই প্রকার
১.ভেইন এ দেওয়ার স্যালাইন।
২.ওরাল বা মুখে খাওয়ার স্যালাইন।

স্যালাইনের উপকারিতা

এ ক্ষেত্রে স্যালাইন মূলত লবণের ঘাটতি পূরণ করার কাজে ভূমিকা রাখে। শরীরের স্বাভাবিক কাজকর্ম বজায় রাখতে লবণের ভারসাম্য রক্ষা করাটা খুবই জরুরি। আর ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হলে আমরা প্রচুর লবণ হারাই। তাই উচ্চ রক্তচাপের রোগীরও ডায়রিয়া হলে স্যালাইন খেতে হবে, এতে লবণের আধিক্য হবে না বা রক্তচাপও বাড়বে না।

ওর স্যালাইন আবিষ্কারক

রফিকুল ইসলাম (১৯৩৬ - ৬ই মার্চ, ২০১৮) ছিলেন একজন বাংলাদেশী চিকিৎসক ও চিকিৎসা বিজ্ঞানী। তিনি ডায়রিয়া নিরাময়ের জন্য খাবার স্যালাইন (ওরস্যালাইন) আবিষ্কারের জন্য পরিচিত। ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নাল দ্য ল্যান্সেট তার আবিষ্কৃত খাবার স্যালাইনকে "চিকিৎসা বিজ্ঞানে বিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার" বলে উল্লেখ করেছিল।

ওরস্যালাইন খাওয়ার নিয়ম

এর প্রভাবে মস্তিষ্কের বিভিন্ন কোষ থেকে পানি বের হতে পারে। এতে করে কোষ নষ্ট হয়ে মৃত্যুর ঘটনাও অস্বাভাবিক নয়৷ তাই আধা লিটার পানিতে পুরো প্যাকেটের স্যালাইন মিশিয়ে নিতে হবে৷ এরপর পরিমাণমতো খেতে হবে। মনে রাখতে হবে, একবার বানানোর পর ওই স্যালাইন ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত খেতে পারবেন। এর বেশিক্ষণ থাকলে তা পান করা উচিন নয়।

ওরস্যালাইন বানানোর পদ্ধতি 

খাবার স্যালাইন কীভাবে বানাবেন? আধা লিটার পানি ফুটিয়ে ঠাণ্ডা করে নিন। পরে এই পানিতে এক চিমটি লবণ ও এক মুঠো গুড়ের মিশিয়ে ছেঁকে নিন। তৈরি হয়ে গেল খাবার স্যালাইন।

ওরস্যালাইন বেশি খেলে কি হয়

এর বেশিক্ষণ থাকলে তা পান করা উচিন নয়। কারণ ১২ ঘণ্টা পর সেখানে জীবাণুর সংক্রমণ হওয়ার সম্ভাবনা খুব বেশি। এই স্যালাইন খাওয়ালে শরীরে জীবাণুর সংক্রমণ হতে পারে। অনেকেরই ধারণা উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস রোগীদের স্যালাইন খাওয়া উচিত নয়।

বাজারে পাওয়া যায় এমন কিছু স্যালাইনের নাম

  • inf.10%D/A.
  • inf. plasmas.
  • inf.fructin.-10.
  • inf. amino. acid.
  • inf.25%dextrose.
  • inf. normal. saline.
  • inf.cholera .salaine.
  • inf. baby- saline. Etc
  • inf.Hartsman solution-
  • inf.5%dextrose in aqua.(D/A)
  • inf.5%dextrose in normal salaine.(D/N/S)

বাচ্চাদের খাবার ওরসেলাইন তেরীর সঠিক নিয়ম

  • ওরসেলাইন তেরীর সঠিক নিয়ম। বেশী বা অল্প পানিতে নয়।যা জানা অত্যান্ত জরুরী। 
  • ডায়ারিয়া হলে পানি শুন্যতা দেখা দেয় শরীরে। 
  • বর্তমানে শিশুদের ডায়ারিয়া ব্যাপক হারে বাড়ছে।শীতকালে রোটাভাইরাস এর আধিপত্য দেখা যায় ফলে শীত কালে ডায়ারিয়া বেশী হয়। 
  • ডায়ারিয়া হলে শরীর থেকে লবন ও পানি বেড় হয়ে যায়। 
  • পানিশূন্যতা রোধে ও লবনের ঘাটতি পুরোনে ওরস্যালাইন এর বিকল্প নেই। 
  • ওরসেলাইন সেই ঘাটতি পুরোন করে। 
  • ওরস্যালাইন এর পুরো প্যাকেট টি আধা লিটার পানিতে তেরী করতে হয়। 
  • অনেকই অল্প পানিতে একপ্যাকেট সেলাইন তেরী করে  ফলে জীবনের ঝুঁকিতে পড়ে যায়। জীবনের শংকা দেখা যায়। 
  • এর প্রভাবে মস্তিষ্কের কোষ থেকে পানি বেড় হয়ে আসে ফলে আরো বেশি পিপাসা লাগে, মা-বাবা আরো বেশি সেলাইন খাওয়ায়, ফলে কোষগুলো নষ্ট হয়ে যায় এবং মৃত্যুও হতে পারে।এটাকে বলে হাইপারনেট্রেমিয়া।
  • কম বা বেশি পানিতে তৈরী করলে সেলাইন নিদিষ্ট ঘনত্ব নষ্ট হয়। 
  • একবারে তেরী করা সেলাইন ১২ঘন্টা পর্যন্ত স্বাভাবিক তাপমাত্রায় রাখা যায়। ১২ঘন্টার বেশি রাখলে জীবাণু সংক্রমণ  হয় এবং শরীরে সংক্রমণ ছড়ায়। 
  • একমিনিট-দুই মিনিট  সময়ে নিয়ে এক চামচ ওরস্যালাইন খাওয়াবেন। বয়স ২বসরের নীচে হলে প্রতি পায়খানার পর ১০-২০ চামচ। বয়স ২বসরের উপরে হলে ২০-৪০চামচ প্রতি পায়খানার পর খাওয়াবেন। 10years or more as much as wanted.
  • ডায়ারিয়া আক্রান্ত হলে হাইব্লাডপ্রেসার বা ডায়াবেটিস এর আক্রান্ত ব্যাক্তিরা খেলে ব্লাডপ্রেশার বা ডায়াবেটিস বাড়ে না। ওরসেলাইন এ  যে পরিমাণ (২০গ্রাম)  গ্লুকোজ থাকে যা ডায়াবেটিস বাড়ায় না।
  • ওরস্যালাইন এর কাজ পায়খানা বন্ধ করা নয়।এটা লবন ও পানির ঘাটতি পুরোন করে। 
  • ওরসেলাইন দুধ সুপ বা ড্রিংকস এর সাথে মিশাবেন না।

ডাক্তার প্ররিচিতিঃ
ডা. মো. আতিকুর রহমান আরিফ 
এমবিবিএস 
সহকারী রেজিস্ট্রার (শিশু বিভাগ)
বারিন্দ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, রাজশাহী ।
           ও 
জেনারেল ফিজিশিয়ান  
ডাক্তার  খানা কৃষ্ণপুর শাখা ।
আরও পড়ুনঃ ]

অন্যদের সাথে শেয়ার করুন

0 Comments

দয়া করে নীতিমালা মেনে মন্তব্য করুন ??

রেডিও স্বাধীন দেশ কী রেডিও স্বাধীন দেশ কেন জানতে আমদের সাইটি ভিজিট করুন