আপনার বীর্য ঠিক আছে তো? বীর্য নিয়ে কিছু কমন প্রশ্ন এবং উত্তর

বীর্য একপ্রকার জৈবিক তরল যা যৌনসঙ্গমের শেষ পর্যায়ে চরম সুখানুভূতি সৃষ্টির সঙ্গে পুরুষাঙ্গ হতে নি:সৃত হয়। এই বীর্য নিয়ে রিতিমত নানা জনের নানান প্রশ্ন কারো বীর্য ঘন বা কারো পাতলা সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে চিন্তিত হচ্ছেন অনেকেই। বীর্যে শুক্রাণুর সংখ্যা কমে গেলে বা না থাকলে তখন এটি একটি বড় সমস্যার কারন হয়ে দারায়।  কারন বাচ্চা জন্মদানে বীর্যে শুক্রাণু থাকা প্রয়োজন।  আর একারনেই অনেকে বীর্যের কোন পরিবর্তন দেখলেই চিন্তিত হয়ে পড়েন। আজ আপনাদের কিছু কমন প্রশ্নের উত্তর দেয়া হবে যেগুলো থেকে আপনাদের কিছুটা হলেও ধারনা হবে। 

বির্য ঘন করার উপায়, শুক্রাণু বাড়ানোর উপায়, খাওয়ার উপকার, বীর্য পাতলা কেন, হস্তমৈথুন,
বীর্য শুক্রাণু

বীর্য বৃদ্ধি করার সঠিক পদ্ধতি গুলোঃ

ঢিলে ঢালা জাঙ্গিয়া পরার কারণে অন্ডকোষের আশপাশে তাপমাত্রা কম থাকা বীর্য ঘনত্ব বেশি হওয়ার কারণ হতে পারে বলে মনে করেন গবেষকরা। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই ছোট কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ অভ্যাসটি পুরুষদের উর্বরতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বীর্য কম হওয়ার কিছু কারনের মধ্যে আছে হস্তমৈথুন। ঘন ঘন হস্তমৈথুন করলে বীর্য কম হতে পারে তবে একটানা অনেক দিন না করলে আবার ঠিক হয়ে যাবে। মনে রাখবেন হস্তমৈথুন করা সাস্থের জন্য ক্ষতিকর এবং ইসলামে এটি হারাম।  আপনার যদি বীর্য কম হয় আর আপনি যদি হস্তমৈথুন করে থাকেন তাহলে আপনাকে হস্তমৈথুন করা বন্ধ করতে হবে। বেশি সমস্যা হলে অবশ্যই ডাক্তার দেখাতে হবে। 

এক ফোটা বীর্য তৈরি হতে কত সময় লাগেঃ

বীর্য উৎপাদ হওয়ার কার্যকারিতা একজন পুরুষের শরীরের সব সময়ই বিরাজমান থাকে। বীর্য থলি পরিপূর্ণ হওয়ার পূর্বমূর্হরতো পর্যন্ত বীর্য তৈরি হতে থাকে শরীরে সে বীর্যপাত হোক বা না হোক। বীর্যথলি পরিপূর্ণ হয়ে গেলেই তা যে কোনো উপায়ে বীর্যপাত হয়ে পরিপূর্ণতা হারায়,  আবারোও বীর্য তৈরি হতে থাকে। 

বীর্য না ফেললে কি হয়ঃ

বীর্য না ফেললে কোন না কোন ভাবে এটি বেড়িয়ে আসবে বা ভেঙ্গে গিয়ে পুণরায় শরীরে শোষিত হবে। কিন্তু হস্ত মৈথুন করলে প্রতিটি শিরা উপশিরা থেকে বীর্য লিঙ্গে চলে আসে, আর এই বীর্য  আটকালে বা না ফেললে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা হতে পারে, প্রসাবে জ্বালা পুড়া এমনকি লিঙ্গে পাথর হবার সম্ভাবনাও রয়েছে। তাই হস্তমৈথুন বা হস্তমৈথুনের জন্য লিঙ্গ উত্তেজিত করা ঠিক নয়।

বীর্য উৎপাদনকারী খাবারঃ

তৈরিতে বিশেষ রকমের খাদ্য উপাদানের সরবরাহের প্রয়োজন হয় না। আসল কথা হল বীর্যের সাথে খাবারের কোনো প্রত্যক্ষ বা ডাইরেক্ট সম্পর্ক নেই। যদি এ জাতীয় কোনো ধরনের সম্পর্ক থাকতো, তবে ডাক্তারগন প্রজনন বা সন্তান উত্‍পাদনে অক্ষম পুরুষদেরকে বেশি বেশি খাদ্য খেতে উপদেশ দিতেন। তবে পর্যপ্ত পুষ্টিযুক্ত খাবার, নিয়মিত শরীর চর্চা এবং শরীরের সঠিক ওজন ধরে রাখার চেস্টা করতে হবে। 

বীর্য ঘন করার এলোপ্যাথিক ঔষধের নামঃ

রেজিস্ট্রার ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া অনলাইন কিংবা নিজের মত করে কোন ঔষধ গ্রহন করা থেকে বিরত থাকুন। নিয়মিত পুস্টিকর খাবার খান দুধ, ডিম, রসুন, মধু, ইত্যাদি খেতে পারেন। 

বীর্য গাড় করার হোমিওপ্যাথি চিকিৎসাঃ

রেজিস্ট্রার ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া অনলাইন কিংবা নিজের মত করে কোন ঔষধ গ্রহন করা থেকে বিরত থাকুন।

বীর্যের অভাবে কি হয়ঃ

একজন সুস্থ মানুষের প্রতিনিয়ত বীর্য তৈরি হতে থাকে তবে কারো কম বা বেশি হতে পারে৷  তবে একেবারেই না হলে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। 

বীর্যে শুক্রানুর সংখ্যা কতঃ

বীর্যে শুক্রাণুর সংখ্যা নিয়ে বিজ্ঞানিরা বলেন স্বাভাবিক একজন পুরুষের প্রতি মিলিমিটার বীর্যে ৮০ থেকে ১২০ লাখ শুক্রানু থাকার কথা।

পুরুষের বীর্যে কি কি ভিটামিন থাকেঃ 

সাধারনত বীর্যে ৯০ শতাংশই তরল পানি জাতীয় উপাদান পাওয়া যায়। এছাড়াও বীর্যে সুগার বা গ্লুকোজ যা কি

না শুক্রাণুর কার্যকারিতা ও বলিষ্ঠতার জ্বালানি স্বরূপ। 

বীর্যে আরো থাকে ক্ষারীয় উপাদান। প্রোস্টেট গ্ল্যান্ডের 

কিছু পরিমাণ এনজাইম ও কিছুমাত্রায় ভিটামিন সি, কিঙ্ক এবং কোলেস্টেরল।

.......

তথ্যসূত্রঃ অনলাইন নিউজপেপার 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ