গোপনাঙ্গে এবং রানের চিপায় সহ যে কোন চুলকানি দূর করার সহজ উপায়

চুলকানোর কারন এবং এর থেকে মুক্তির উপায় বিস্তারিতঃ

চুলকানি মানেই একটি অসহ্যকর বিষয় কারন এই চুলকানি শুরু হলে ঠিক মত কাজ করার ক্ষমতাও পাওয়া যায় বা। দেখা গেছে চুলকানি এমন একটি রোগ যে রোগ হলে এক সময় মান সম্মান টিকিয়ে রাখাও কষ্টকর হয়ে যায়। কারন এই চুলকানি একবার শুরু হলে সহজে থামানো সম্ভব হয় না। চুলকানি বা খুজলি থাকা মানেই এক অন্য রকম অসান্তি। চুলকাতে চুলকাতে হয়ত আপনার শরীর থেকে রক্ত বের হয়ে যাচ্ছে তাও চুলকানি থামছে না। এসব চুলকানি যে কোন মৌসুমে হতে পাড়ে সীত কিংবা গরমে। তবে চুলকানির জন্য বিশেষ কিছু কারন আছে যেগুলো সবার আগে জানতে হবে।  তাই আজ চুলকানি বা খুজলির বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে এবং এর থেকে মুক্তির কিছু উপায় সহ ক্রিমের নাম বলা হবে।

চুলকানি, খোস পাচরা, খুজলি, দাদ, দাউদ, ফ্যাংগাস, স্ক্যাবিস,

চুলকানি কেন হয়?

চুলকানি একটি রোগ এই রোগ হওয়ার মূল কারন হচ্ছে অপরিস্কার থাকা। দেখা গেছে সারাদিন বাইরে কাজ করার ফলে শরীর ঘেমে গেছে ময়লা আবর্জনা লেগে যাচ্ছে তখন কিন্তু এই চুলকানি হতে পাড়ে। বিশেষ করে শীতকে এটি বেশি দেখা যায়। কারন তখন ঠান্ডার কারনে শরীর ভালভাবে পরিস্কার করে না অনেকেই।

চুলকানি কিভাবে বুঝবেন? 

চুলকানি বিভিন্ন কারনে হতে পাড়ে যেমন এলার্জি। আপনি কিভাবে বুঝবেন?  যে আপনার চুলকানি আছে?  চুলকানি হলে হাতের আঙুল এর ফাকে বা বিভিন্ন স্থাকে ছোট ছোট দানার মত হতে পাড়ে। যাতে চাপ দিলে পানির মত বের হতে পাড়ে। হাত বা নখ দিয়ে চুলকানোর পড়ে সেই হাত দিয়ে যখন শরীরের অন্য কোন স্থানে লাগানো হয় তখন সেখানেও এই চুলকানি ছড়িয়ে পড়ে। এভাবেই দেখা গেছে আপনি যে হাত দিয়ে চুলকানোর স্থানে চুলকানোর পড়ে আপনি সেই হাত দিয়ে গোপনাঙ্গ স্পর্শ করলেন তাহলে আপনার গোপনাঙ্গেও চুলকানি হবে। এভাবে পুরো শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। 

রাতে চুলকানিঃ

চুলকানি রাতে বেশি হওয়াটা একটি নিয়ম বলা চলে কারন সারাদিন বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত থাকার কারনে চুলকানোর সময় সিমিত থাকে চুলকানি আসলেও সহ্য করে থাতে হয়। বা চুলকানোর সময়ওয়া পাওয়া যায় না যে কারনে দিনের বেলায় চুলকানি কম মনে হয়।  কিন্তু রাতে শুয়ে পড়লেই শুরু হয় চুলকানি এমনকি রাতে ঘুম পর্যন্ত হয় না। কারন রাতে শুয়ে থাকলে একটু চুলকালেই হাত চলে যায় আর চুলকানোর জন্য সহজ হয়ে যায়। আর হাত একবার লাগলেই পুড়ো শরীর চুলকাতে থাকে যে কারনে রাতে চুলকানি বেশি হয়।

রানের চিপায় বা কুঁচকিতে চুলকানিঃ

চুলকামি যদি শুধু রানের চিপায় বা কুঁচকিতে হয় তাহলে বেপারটি সহজ মনে হয় এতটা সহজ নয় কারন রানের চুপায় চুলকানি হলে তাতে চুলকালে ঘা হওয়ার সম্ভবনা অনেক বেশি। ঘা হলে হাটা চলা করতে অনেক সমস্যা হয় এছাড়াও গোসলের সময় পানি লাগলে অনেক জ্বালাপোড়া করতে পারে। হাটাচলা বা বিভিন্ন কারনে রানের চিপায় ঘামতে পাড়ে এবং গোসলের সময় ভালভাবে পরিস্কার না করার কারনে এমন চুলকানি সহ ইনফেকশন হতে পাড়ে। 

গোপনাঙ্গের চুলকানিঃ

গোপনাঙ্গে চুলকানি হওয়া খুবই মারাত্মক বিষয় কারন এখানে চুলকানোর সময় ঘা হলে প্রসাব করতে সমস্যা বা হাটাচলা করতে সমস্যা হতে পাড়ে। এছাড়াও এটি লজ্জাজনক একটি বিষয় গোপনাঙ্গের চুলকানি দূর করার উপায় হচ্ছে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখা। সহজে ঠিক না হলে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। 

চুলকানি দূর করার সহজ উপায় জেনে নিনঃ

এমন চুলকানিকে সাধারনত স্ক্যাবিস বলা হয়। আপনারা যেটুকু বুঝতে পেরেছেন তার মধ্যে মূল বিষয় হচ্ছে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন থাকা।  তাই প্রথমত পরিস্কার পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে। তার পাশাপাশি ফাংগিসন ক্রিম ব্যাবহার করুন দিনে দুই বার বা ,রাতে লাগান ১০০% ভালো ফলাফল পাবেন দাম মাত্র ৪০ টাকা।তাছাড়া গোসলের সময় তরল ডেটল ব্যাবহার করলে ভালো সুফল পাবেন। এছাড়াও আরো অনেক ক্রিম আছে যেগুলো ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে ব্যবহার করবেন। 

চুলকানির জন্য কিছু ভেষজ সমাধানঃ

১. নিম পাতা সিদ্ধ করে পানি দিয়ে গোসল করলে খোসপাচড়া চলে যায়। পাতা বা ফুল বেটে গায়ে কয়েকদিন লাগালে চুলকানি ভালো হয়।

২. বড় এলাচি বেটে চন্দনের মত শরীরে লাগালে চুলকানী সেরে যায়।

৩. বাসকের কচিপাতা ১০-১২ টি এক টুকরো হলুদ একসঙ্গে বেটে দাদ বা চুলকানিতে লাগলে কয়েকদিনের মধ্যে তা সেরে যায়।

৪. ক্ষত বা খোস পাঁচড়া দেখা দিলে অর্জুনের ছাল বেটে লাগালে সেরে যায়।

৫. তুলসী পাতা ও দুর্বার ডগা বেটে গায়ে মাখলে ঘামাচি ও চুলকানি ভাল হয়।

এছাড়াও গোসলের পর চুলকানি, বা মুখে চুলকানি থাকতে পাড়ে। আর যাদের এলার্জি আছে তাদেরও চুলকানি হতে পাড়ে তবে এটি বুঝার জন্য খেয়াল রাখতে যে কোন খাবার খাওয়ার পড়েই চুলকানি হয় কিনা। যদি নির্দিষ্ট কোন খাবার খাওয়ার কারনে চুলকানি হয় তাহলে বুঝবেন আপনার এলার্জি আছে তাহলে সেসব খাবার কম খাওয়াই ভাল। এলার্জিতে বেশি সমস্যা হলে যে কোন ফার্মেসিতে গিয়ে বললেই হবে। অবস্থা বেশি গুরুতর হলে ডাক্টারের পরামর্শ নিতে হবে। এলার্জি হয় এমন কিছু খাবার হচ্ছে - গরুর মাংস, গরুর দুধ, চিংরি মাছ, ইলিশ মাছ, সহ অনেকের কলা সহ আরো কিছু খাবারে এলার্জি হতে পাড়ে তাই আপনার এলার্জি যে সব খাবারে হয় সেগুলো সনাক্ত করতে হবে।  

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ